“✨ ১২ বছরের গল্প, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে কুষ্টিয়াশহর.কম”

Select your language

Distributor of information on the history and heritage of Greater Bangla.

বাংলার ইতিহাস এবং প্রবন্ধভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার

স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকার রুপকার - কাজী আরেফ আহমেদ
স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকার রুপকার - কাজী আরেফ আহমেদ

বীর বাংগালী অস্ত্র ধর - বাংলাদেশ স্বাধীন কর।
তোমার আমার ঠিকানা - পদ্মা, মেঘনা,যমুনা।
ক্ষমতা না জনতা - জনতা জনতা।
তুমি কে আমি কে - বাঙালী বাঙালী।

আইয়ুবের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনই কাজী আরেফ আহমেদকে রাজনৈতিক কর্মী করে গড়ে তোলে। ১৯৬২ এর নভেম্বর এ সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদ বাংলাদেশে স্বাধীন করার সিদ্ধান্তে এক মতে পৌছান। এটাই ৬২ এর নিউক্লিয়াস নামে পরিচিত। যার নেতৃত্তে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ নামে যুদ্ধের লক্ষ্যে একটি গোপন সংগঠন গড়ে উঠেছিলো। সারাদেশব্যপী এ সংগঠনের তৎপরতা ছিলো। এইসব শ্লোগানের সত্যিকার বহি:প্রকাশ মৃতুর দিন পর্যন্ত তার মধ্যে লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে শাহবাগে বিভিন্ন আন্দোলনে এই শ্লোগান শোনা যায়।

জন্ম : ১৯৪২ সালের ৮ই এপ্রিল কুষ্টিয়ার সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী আব্দুল কুদ্দুস সাহেব একজন সরকারি চাকুরী জীবী ছিলেন। তিনি একজন ধর্মপ্রান মানুষ ছিলেন। পিতার মতই তিনি একজন সৎ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ছিলেন। তার মাতা খন্দকার খোদেজা খাতুন একজন ধর্মপ্রাণ বিদুষী নারী ছিলেন। আরেফ আহমেদরা দশ ভাই-বোন।

শিক্ষাজীবন : কাজী আরেফ আহমেদ ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে মাধ্যমিকশিক্ষা সমাপ্ত করে ও স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, এরপর ঢাকা বিশবিদ্যালয়ে ভুগোল বিভাগে ভর্তি হন। আন্দোলন সংগ্রাম ও আইয়ুবি নির্যাতনে মাস্টার্স ডিগ্রি অসমাপ্ত থাকে।

ছাত্র রাজনীতি : ১৯৬৩ থেকে ১৯৭০ সালে পর্যন্ত তিনি তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন।এই সময়ে দীর্ঘদিন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এ সময়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্তে সামরিক শাসনের কবর রচনার কাজে তুখোড় ভুমিকা রেখেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হলে, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবে কাজী আরেফ আহমেদ প্রথম সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দেন। এই কর্মসূচীকে সারাদেশে রাজনৈতিক বুদ্ধিজীবী ও গন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ এর গন অভ্যুত্থান এ দেশের মানুষের জীবনের একটি টার্নিং পয়েন্ট। সকল সংগ্রামী মানুষ তখন এ খাতে প্রবাহিত হচ্ছে। পিছনে তাকাবার কোন অবকাশ নেই। এখানে পৌছে ওই অবিস্মরণীয় সময় একজন ছাত্রনেতা হিসেবে, একজন যুবক হিসেবে, একজন লড়াকু মানুষ হিসেবে, একজন নির্যাতিত ছাত্র হিসেবে, সর্বোপরি একজন যোদ্ধা হিসেবে অনন্য ভুমিকা রেখেছিলেন। সম-সাময়িকদের চোখে সেসব উজ্জল হয়ে আছে। সে আন্দোলনের নেতৃত্তে থাকা সকল ছাত্রনেতাদের সাথে তিনি বিচক্ষণতা, নিরলশ শ্রম, ক্লান্তিহীন চেষ্টায় বাঙালী জাতীয়তাবাদের আবেগে মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আমাদের মরনপন যুদ্ধের প্রস্তুতি চলতে থাকে। বাংলাদেশের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতী হিসেবে ১৯৭০ সালে গঠিত 'জয় বাংলা বাহিনীর '' অন্যতম সংগঠক। কাজী আরেফ আহমেদ সাধীনতা সার্বভৌমত্তের প্রতিক জাতীয় পতাকার অন্যতম রুপকার।দীর্ঘদিন ধরে লালিত সাধীন বাংলাদেশের সপ্নসাধ ১৯৭১ সালের সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়, তার সুচনা লগ্নে কাজী আরেফ আহমেদ বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্ট এর অন্যতম নেতার ভুমিকা পালন করেন। এই বাহিনীর নেতা হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিম রনাঙ্গনের ( বৃহত্তর পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, খুলনা ও বরিশাল ) নেতৃত্ব দেন।

তিনি জনগনের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সৈরাচারী শোষনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা উত্তরকালে গঠিত দেশের প্রথম বিরোধী দল "জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল" জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতা। আশির দশক থেকে নব্বুইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত জাসদের সভাপতি ছিলেন। তিনি সাধীনতা উত্তরকালে গনতান্ত্রিক সংগ্রামের বলিষ্ঠ মুখপাত্র দৈনিক গনকন্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কৃষক সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে জাতীয় কৃষকলীগের নেতৃত্তে থেকে কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলেন। ভুমিহীন কৃষকদের সংগঠিত করার কাজে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।

কাজী আরেফ আহমেদ সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের একজন সফল ও দু:সাহসী সংগঠক। তিনি অবৈধ ক্ষমতা দখলদারদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত সংগ্রামে গ্রেফতার, হুলিয়া ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। ১৯৮৭ - ৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি কারা নির্যাতন ভোগ করেন। আপোষহীন সংগ্রামী নেতা এই সামরিক আইন ও শাসনের চির অবসানের লক্ষ্যে ৯০ এর গন অভ্যুত্থানের জঙ্গী নেতৃত্ব দেন। ১৯৯২ সালের ২৬ শে মার্চ দেশবাসী এক বিরল সাধীনতা উদযাপন করেছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গন আদালত অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সেখানে জামায়াতে ইসলামের আমীর ও যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ফাসীর রায় হয়েছিলো এবং অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে রায় ঘোষনা করা হয়েছিলো। সাথে সাথে উল্লেখ করা হয়েছিলো, যে কোন নির্বাচিত গনতান্ত্রিক সরকার এ রায় কার্যকর করবে।

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্তে এ আন্দোলনের অন্যতম রুপকার ও সংগঠক ছিলেন কাজী আরেফ আহমেদ।

Kazi Aref Ahmed Death News

 

জাতীয় বীর মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শহীদ কাজী আরেফ আহমেদ

 

Comments

প্রবন্ধ - সর্বশেষ

শবে বরাত – কোরআন ও হাদিসের আলোকে
শবে বরাত – কোরআন ও হাদিসের আলোকে

শবে বরাত: ক্ষমা, আত্মশুদ্ধি ও নতুন করে ফিরে আসার রাত

ইসলামী বর্ষপঞ্জির এক মহিমান্বিত রাত হলো শবে বরাত। ফারসি শব্দ ‘শব’ অর্থ রাত এবং ‘বরাত’ অর্থ মুক্তি বা নিষ্কৃতি। অর্থাৎ, শবে বরাত হলো এমন এক রাত—যে রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য ক্ষমা, রহমত ও মুক্তির দরজা উন্মুক্ত করে দেন। এই রাত মুসলমানদের আত্মসমালোচনা, তওবা ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ এনে দেয়।

হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি
হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি

হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি

পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের উঁচু ও কঠোর প্রাচীরের গায়ে লেগে আছে এক নীরব অথচ শক্তিশালী আধ্যাত্মিক উপস্থিতি—হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ। এটি কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়; এটি ইতিহাস, স্থাপত্য, জনবিশ্বাস এবং সুফি ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল, যা শতাব্দী পেরিয়েও মানুষের হৃদয়ে অম্লান।

বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জীবন

বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জীবন

বেগম খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ি (বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ)-এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে সাধারণত শান্ত, পরিবারমুখী ছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর স্বামী পরে বাংলাদেশের একজন সামরিক নেতা ও রাষ্ট্রপতি হন।

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ - বাংলাদেশের বিজয়, পাকিস্তানের পরাজয়।
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ - বাংলাদেশের বিজয়, পাকিস্তানের পরাজয়।

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণ: ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে, যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের কাছে পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে

ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান
ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান

ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান

মানব ইতিহাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে বিপ্লবী আবিষ্কার হলো ইন্টারনেট। আধুনিক পৃথিবীর অর্থনীতি, শিক্ষা, বিজ্ঞান, যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার কেন্দ্রে আজ ইন্টারনেট। তবে এই প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয়েছিল অতি সাধারণভাবে—একটি সামরিক গবেষণা প্রকল্প হিসাবে। সময়ের সাথে সাথে এটি পরিণত হয়েছে মানব সভ্যতার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের ভিত্তি অবকাঠামোতে।

কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি
কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি

কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কুষ্টিয়া একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। এই অঞ্চল শুধু সাংস্কৃতিকসাহিত্যিক ঐতিহ্যের জন্যই নয়, বরং রাজনৈতিক চেতনা, আন্দোলন ও গণঅংশগ্রহণের ক্ষেত্র হিসেবেও সুপরিচিত। প্রাচীন রাজ্যব্যবস্থা থেকে শুরু করে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, পাকিস্তান আমলের গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে কুষ্টিয়ার ভূমিকা সবসময়ই ছিল সক্রিয় ও প্রভাবশালী।

আমাদের ইতিহাস

হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি
হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি

হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ: কারাগারের দেয়াল যাকে আটকাতে পারেনি

পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের উঁচু ও কঠোর প্রাচীরের গায়ে লেগে আছে এক নীরব অথচ শক্তিশালী আধ্যাত্মিক উপস্থিতি—হযরত মাক্কু শাহ (রঃ) মাজার শরীফ। এটি কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়; এটি ইতিহাস, স্থাপত্য, জনবিশ্বাস এবং সুফি ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল, যা শতাব্দী পেরিয়েও মানুষের হৃদয়ে অম্লান।

বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জীবন

বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জীবন

বেগম খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ি (বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ)-এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে সাধারণত শান্ত, পরিবারমুখী ছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর স্বামী পরে বাংলাদেশের একজন সামরিক নেতা ও রাষ্ট্রপতি হন।

১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ - বাংলাদেশের বিজয়, পাকিস্তানের পরাজয়।
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ - বাংলাদেশের বিজয়, পাকিস্তানের পরাজয়।

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণ: ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে, যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের কাছে পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে

আমাদের সংস্কৃতি

লালন মেলা ও কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প
লালন মেলা ও কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প

লালন মেলা ও কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে কুষ্টিয়া এক অনন্য অধ্যায়। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাঁইজীর আধ্যাত্মিক দর্শন, মানবপ্রেম ও লোকসংগীতের ধারা আজও কুষ্টিয়ার মাটিতে জীবন্ত। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ছেঁউরিয়ার আখড়াবাড়িতে প্রতি বছর দুটি বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়—যা কেবল আধ্যাত্মিক নয়, বরং কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প, লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের মহা উৎসবে পরিণত হয়।

কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প: ঐতিহ্যের বুননে সৃজনের গল্প
কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প: ঐতিহ্যের বুননে সৃজনের গল্প

কুষ্টিয়ার হস্তশিল্প: ঐতিহ্যের বুননে সৃজনের গল্প

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো হস্তশিল্প। মাটির ঘ্রাণে, বেতের বুননে ও রঙিন সুতার সেলাইয়ে যে সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়, তা শুধু পণ্য নয়—এ যেন জীবনের শিল্পরূপ। কুষ্টিয়া জেলা সেই শিল্প-ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ নিজেদের সৃজনশীলতা ও শ্রম দিয়ে তৈরি করছে নানান হস্তশিল্প সামগ্রী, যা আজ দেশজুড়ে পরিচিত।

লালন গানের রাণী — ফরিদা পারভীন
লালন গানের রাণী — ফরিদা পারভীন

লালন গানের রাণী — ফরিদা পারভীন

বাংলাদেশের সঙ্গীতে লালন গান একটি বিশেষ অবস্থান দখল করে আছে — মানবতা, ভক্তি, সমাজবিজ্ঞানের সূক্ষ্ম ভাবনা ও সার্বভৌম অনুভূতির মিথ।

প্রযুক্তি

ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান
ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান

ইন্টারনেটের জন্ম থেকে বর্তমান

মানব ইতিহাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে বিপ্লবী আবিষ্কার হলো ইন্টারনেট। আধুনিক পৃথিবীর অর্থনীতি, শিক্ষা, বিজ্ঞান, যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার কেন্দ্রে আজ ইন্টারনেট। তবে এই প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয়েছিল অতি সাধারণভাবে—একটি সামরিক গবেষণা প্রকল্প হিসাবে। সময়ের সাথে সাথে এটি পরিণত হয়েছে মানব সভ্যতার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের ভিত্তি অবকাঠামোতে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার – বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা
শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার – বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা

শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার – বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা

বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে— যেখানে প্রযুক্তিই পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি। শিক্ষা ব্যবস্থাও এর বাইরে নয়। অতীতে খাতা-কলমের সীমাবদ্ধতায় যেভাবে শিক্ষার প্রসার বাধাগ্রস্ত হতো, আজ প্রযুক্তির কারণে সেই সীমাবদ্ধতা অনেকটাই দূর হয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: মানবজাতির বন্ধু না শত্রু
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: মানবজাতির বন্ধু না শত্রু

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: মানবজাতির বন্ধু না শত্রু?

প্রযুক্তির এই যুগে মানুষ এমন এক সীমায় এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে যন্ত্রও চিন্তা করছে, সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, এমনকি সৃষ্টিশীল কাজও করছে। এটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI)

জীবনযাপন

মনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলার ৯টি সহজ উপায়
মনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলার ৯টি সহজ উপায়

মনকে প্রফুল্ল রাখার সহজ উপায়

মানসিক প্রশান্তি এবং আনন্দ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে অনেকেই দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ এবং ক্লান্তিতে ভোগেন। তবে কিছু সহজ অভ্যাস ও কার্যকলাপ গ্রহণ করে আমরা আমাদের মনকে সহজেই প্রফুল্ল রাখতে পারি। নিচে এমন কিছু কার্যকর উপায়ের কথা আলোচনা করা হলো—

মাবরুম খেজুর (Mabroom Dates)
মাবরুম খেজুর (Mabroom Dates)

মাবরুম খেজুর (Mabroom Dates)

মাবরুমের খেজুরগুলি এক ধরণের নরম শুকনো জাতের (আজওয়া খেজুরের মতই)। যা মূলত পশ্চিম উপদ্বীপে সৌদি আরবে জন্মায়। মাবরুম গাঢ় বাদামী রঙের সাথে দীর্ঘ আকারের হয়। হালকা মিষ্টি এবং চিবাতে মাংসের মতো লাগে।

আনবার খেজুর
আনবার খেজুর

আনবার খেজুর (Anbara Dates)

আনবার খেজুরগুলি মদীনা খেজুরগুলির মধ্যে অন্যতম সেরা। আনবারা হ'ল সৌদি আরবের নরম ও মাংসল শুকনো জাতের খেজুর ফল। এটি মদিনায় চাষ হয় এবং এটি মদিনার খেজুরগুলির মধ্যে বৃহত্তম হওয়ায় এটি আকারের জন্য সুপরিচিত।

বাউল গান

বিজ্ঞাপন দিন

আমাদের নতুন সদস্য

নিবন্ধন করুন

সর্বশেষ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

তথ্য সম্পর্কে খবর

আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন এবং আপডেট থাকুন